উন্নত বিশ্বের এসি সার্ভিসিং কোম্পানিগুলোর সেবা এবং বিশেষজ্ঞদের মতামত পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, বছরে অন্তত তিনবার এসি সার্ভিসিং অত্যন্ত জরুরী। অন্যান্য শহরের তুলনায় আমরা যারা ঢাকা শহরে বসবাস করি তারা অতিরিক্ত ধূলিকণাযুক্ত বাতাস গ্রহণ করে থাকি। আপনি যদি আপনার বাসার সিলিং ফ্যান মাত্র পনেরো বিশ দিন পরিষ্কার না করেন দেখবেন ফ্যানের পাখাগুলোতে প্রচন্ড ধূলির আস্তরণ পড়ে গেছে অনুরূপ এই ধরনের নোংরা দূষিত ধূলিকণাগুলো আপনার এসির ভেতরেও প্রবেশ করে যার ফলশ্রুতিতে আপনার এসি থেকে কাঙ্খিত বিশুদ্ধ বাতাস থেকে আপনি বঞ্চিত হচ্ছেন এর ফলে আপনি এবং আপনার প্রিয়জনেরা নানাবিধ অসুখ-বিসুখের সম্মুখীন হচ্ছেন। যেহেতু একজন এক্সপার্ট এসি টেকনিশিয়ান ব্যতীত আপনি আপনার এসির ভেতরে ময়লা গুলো দেখতে পান না যার কারনে আপনি শুধুমাত্র এসির ফিল্টার পরিষ্কারকেই এসি সার্ভিসিং মনে করে থাকেন প্রকৃতপক্ষে এসির ভেতরে যে চেম্বার আছে সেই চেম্বারে ধূলিকণাগুলো অবস্থান করে এর ফলশ্রুতিতে এসি থেকে কাঙ্খিত ঠান্ডা এবং বিশুদ্ধ বাতাস থেকে যেমন আপনি বঞ্চিত হচ্ছেন ঠিক তেমনি আপনার এই যন্ত্রটি তার কার্যক্ষমতা হারাচ্ছে এবং আপনাকে উচ্চ মেরামতের বিলের দিকে ধাবিত করছে তাছাড়া বিদ্যুৎ বিল স্বাভাবিকভাবেই বেড়ে যাচ্ছে। নিয়মিত এসি সার্ভিসিং আপনাকে স্বাস্থ্যকর বাতাস, বিদ্যুৎ বিল সাশ্রয়ী, দীর্ঘমেয়াদে মেরামত বিল সাশ্রয়ী এবং আপনার এসির কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি করে আপনার এয়ারকন্ডিশন কে বিস্ফোরণের মত ঝুঁকিপূর্ণতা থেকে রক্ষা করে।
অন্তত চার মাস পর পর আপনি আপনার ঘর কিংবা অফিসের এসিগুলো দক্ষ এবং প্রশিক্ষিত টেকনিশিয়ান দ্বারা একবার মাস্টার সার্ভিসিং একবার জেট ওয়াস এবং একবার বেসিক সার্ভিসিং করিয়ে নিন। আপনি এবং আপনার প্রিয়জনদের সুরক্ষিত রাখুন।
Leave a Reply